মাথা ব্যাথায় যন্ত্রণা পাওয়ার দিন শেষ।
মুঠো মুঠো আর ওষুধ নয়! মাথাযন্ত্রণা থেকে দ্রুত মুক্তি পাওয়ার খুব সহজ পদ্ধতিগুলি জেনে রাখুন
Locally established Methods: ব্যস্তপূর্ণ জীবনযাত্রায় মাথা ঠিক রাখাই এখন চ্যালেঞ্জের। যদিও অনেকেই রয়েছেন যাঁরা মাথাব্যথার চিকিত্সার জন্য ওষুধের উপর নির্ভরশীল থাকেন।তবে কিছু ঘরোয়া প্রতিকারের উপরও নির্ভর করলে কখনও নিরাস হবে না।
Free of Headaches: মুঠো মুঠো আর ওষুধ নয়! মাথাযন্ত্রণা থেকে দ্রুত মুক্তি পাওয়ার খুব সহজ পদ্ধতিগুলি জেনে রাখুন
ব্যস্তপূর্ণ জীবনযাত্রায় মাথা ঠিক রাখাই এখন চ্যালেঞ্জের। যদিও অনেকেই রয়েছেন যাঁরা মাথাব্যথার (Cerebral pains) চিকিত্সার জন্য ওষুধের উপর নির্ভরশীল থাকেন।তবে কিছু ঘরোয়া প্রতিকারের (Home Remedies) উপরও নির্ভর করলে কখনও নিরাস হবে না। পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন (Side Effects) ভাবে যে কোনও সময় ঘরোয়া উপায়ে মাথাযন্ত্রণাকে তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিতে পারেন। আর সেই উপায়গুলি কী কী , তা জেনে রাখুন একনজরে।
নিজেকে হাইড্রেট রাখুন: মাথাব্যথা এমনকি মাইগ্রেনের একটি সাধারণ কারণ হল আমাদের শরীরে জলের অভাব। নিজেকে সঠিকভাবে হাইড্রেট করা আমাদের সুস্থ থাকার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই নিজেকে ভালভাবে হাইড্রেট রাখতে পর্যাপ্ত পরিমাণে জল পান করুন। জলের পাশাপাশি তাজা জুস, জল, নারকেল জল অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন। চা ও কফির মত ক্যাফেইন-যুক্ত পানীয়ের অতিরিক্ত ব্যবহার এড়িয়ে চলুন। তাতে ডিহাইড্রেশন হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।
সঠিক সময়ে সুষম খাদ্য গ্রহণ করুন: শরীরে সব ধরনের ভিটামিন এবং মিনারেলের প্রয়োজন হয়। যে কোনও প্রয়োজনীয় পুষ্টির অভাব আমাদের স্বাস্থ্যের উপর প্রভাব ফেলতে পারে। তাই সুষম খাদ্য গ্রহণ করা জরুরি। সবসময় সঠিক সময়ে খাবার খাওয়া উচিত কারণ যে কোনও খাবারে দেরি করা আপনার স্বাস্থ্যকে ক্ষতিগ্রস্থ করতে পারে। মস্তিষ্কের সঠিক কার্যকারিতার জন্য গ্লুকোজ প্রয়োজন এবং গ্লুকোজের অনুপস্থিতি হাইপোগ্লাইসেমিয়া হতে পারে, যার ফলস্বরূপ মাথাব্যথা হয়।
ঠিকমতো ঘুমান: মাথাব্যথা প্রতিরোধ করার আরেকটি কার্যকর উপায় হল প্রতি রাতে ৭ থেকে ৮ ঘন্টা ঘুমানো। ঘুমের অভাব আপনার স্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রাকে ব্যাহত করতে পারে এবং বিভিন্ন রোগের জন্য দায়ী হতে পারে। পর্যাপ্ত ঘুমের অভাবের কারণে আপনি মাথায় চাপ অনুভব করতে পারেন। তাতে মাথা ঘোরা, মাথা ব্যথার সমস্যা দেখা দেয়।
ন্যাপ নিলে রিফ্রেশড লাগবে: মাথায় চাপ অনুভব করলে আরামের জন্য ১-২ ঘণ্টার ঘুম দারুণ কার্যকর। চোখ বন্ধ করে কয়েক মিনিট শুয়ে থাকুন। বসে থাকলেও করতে পারেন। তাতে দেখবেন অনেকটা চাপমুক্ত লাগছে। মাথাব্যথাও উধাও হয়ে গিয়েছে। শারীরিকভাবে পরিশ্রম করাও এড়াতে পারেন এই সময়।
মাথা ম্যাসাজ করুন: হেড ম্যাসাড অত্যন্ত কার্যকরী একটি সহজ উপায়। হালকা করে আঙুল দিয়ে মাথার ত্বকে আস্তে আস্তে ম্যাসাজ করতে পারেন। তাতে মাথার পেশি টানটান হয়ে ব্যাথার উপশম করতে পারে সহজে। রক্ত সঞ্চালনও ভাল হয়।
হট শাওয়ার নিতে পারেন: মাথাব্যথার ঘরোয়া চিকিত্সার জন্য হালকা গরম জল গিয়ে মাথা ধুয়ে ফেলুন। ঘাড়ে ও পিঠে অল্প গরম জল দিয়ে ধুয়ে নিন। পেশির টান দূর করে রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে তোলে। মাথাব্যথার ঝামেলাও মিটে যায় সঙ্গে সঙ্গে।
হাসতে থাকুন: মাথাব্যথার সাধারণত চাপ ও উত্তেজনার ফলে হয়ে থাকে। তাই হালকা করার জন্য শুধু হাসলেই চলবে। হাসতে হাসতেই সব ব্যথার উপশম ঘটবে। ফিল-গুড হরমোনগুলি মস্তিষ্কে নিঃসরণ করে মাথাযন্ত্রণাকে হারিয়ে দেয় নিমেষে।
আরামের দরকার: কোনও অসুস্থতার ক্ষেত্রে শরীরে বিশ্রামের প্রয়োজন হয়। এমনকি হালকা মাথাব্যথার জন্যও পেশি শিথিল করা, উত্তেজনা কমানোর প্রয়োজন হয়। শুধু চোখ বন্ধ করে কিছু সময় বিশ্রাম নিন।
শ্বাস নিন ও শ্বাস ছাড়ুন: মানসিক চাপ ও উত্তেজন দূর করার সহজ ও উপকারী কৌশল হল প্রাণায়াম করা। স্নিগ্ধ বাতাসে স্বাস্থ্যকর জীবনধারা বজায় রাখার সেরা অনুশীলনগুলির মধ্যে অন্যতম।



মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন